চণ্ডী লাহিড়ী
ক্রিকেটের প্রবাদপুরুষ ডব্লিউ.জি. গ্রেস এবং রণজিৎ সিংজি ক্রিকেট খেলেছিলেন ১৯০৯ সালের আগে। ১৯০৯ সালে ইম্পিরিয়াল ক্রিকেট কনফারেন্স গঠিত হয়। এটি সরকারিভাবে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। এর স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে স্বীকৃত। এই আই.সি.সি.-র নিয়ন্ত্রণে গ্রেস মাত্র একটি টেস্ট ম্যাচ খেলেন। তিনি শোচনীয়ভাবে হারেন ও ক্রিকেট জগৎ থেকে বিদায় নেন। টেন্টব্রিজে ১৮৯৯ সালে খেলাটি হয়।

ভারতে সরকারিভাবে ইংলণ্ড থেকে প্রথম ক্রিকেট টিম আসে আর্থার গিলিগ্যানের নেতৃত্বে। দলটিতে ইংল্যাণ্ডের নানা ক্লাবের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। এম.সি.সি. নামে টিমটি পরিচিত। বোম্বেতে এই টিমের সঙ্গে খেলেন মারাঠি পন্ডিত অধ্যাপক দেওধর। বিদেশী টিমের বিরুদ্ধে তিনিই প্রথম সেঞ্চুরি (১৪৮) করেন। ১৯২৬-এ যখন এই টিম ভারতে খেলতে আসে তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কন্ট্রোল কনফারেন্স (আই.সি.সি.) তৈরি হয়ে গেছে। সেজন্য সরকারিভাবে অধ্যাপক দেওধরের কৃতিত্বকে টেস্ট ম্যাচের কৃতিত্ব বলে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।
কিন্তু ব্রিটিশ ক্রিকেটের ঐতিহাসিকরা ডব্লিউ বি গ্রেসকে জোর করে টেস্টম্যাচ বিজয়ী বলে আজও প্রচার করে চলেছেন। অধ্যাপক দেওধরের কৃতিত্ব সম্পর্কে তাঁরা নীরব।
মনে রাখা দরকার গ্রেস সরকারিভাবে নির্বাচিত হয়ে খেলতে নামেননি। অধ্যাপক দেওধর সরকারিভাবে নির্বাচিত হয়ে ক্রিকেট খেলতে নেমেছিলেন।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন