চণ্ডী লাহিড়ী
খোয়া ক্ষীর সর্বদাই খেতে খুব ভালো যদি সেটা পরের পয়সায় হয়। এটা এখন আর প্রবাদবাক্য নয়। পরের পয়সায় সবকিছু ম্যানেজ করতে একালে মন্ত্রীরা তুলনাহীন।
ছত্রিশগড় নতুন রাজ্য কিন্তু সেখানকার মন্ত্রীদের রসেবশে বেঁচে থাকার কায়দাকানুন শিখে নিতে দেরি হয়নি। দেওয়ালিতে দোকানে দোকানে মিঠাই বিক্রি হয়। মেয়েরা ঘরে ঘরে সন্দেশ প্রস্তুত করেন। সেজন্য প্রচুর খোয়া ক্ষীর লাগে। এই ক্ষীর আসে গোয়ালিয়র আর আগ্রা থেকে। প্রচুর ক্ষীর লাগে। সেজন্য প্রচুর ভেজাল মালও বাজারে আসে। সেরাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী নানকিরাম কানওয়াল চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং যেন আগ্রা আর গোয়ালিয়র থেকে খোয়া ক্ষীর আমদানি নিষিদ্ধ করেন। কিন্তু স্বাস্থ্যমন্ত্রী কৃষ্ণমূর্তি বান্ধি তাতে আপত্তি জানালেন। মুখ্যমন্ত্রী চতুর রাজনীতিবিদ। তিনি কোনো তরফের কথা শুনলেন না। তিনি ঘোষণা করলেন—ক্ষীর আমদানি হবে। তবে সেই ক্ষীর নিজে খেয়ে পরীক্ষা করবেন। অতএব ক্ষীরের শোভাযাত্রা শুরু হল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দিকে। এই ২০০৬ সালে। দীপাবলির আগে ও পরের দু-সপ্তাহ ধরে চলবে এই ক্ষীরযাত্রা। মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারবর্গ রোজই পরের পয়সায় ক্ষীর খাবেন।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন