চণ্ডী লাহিড়ী
ব্রাহ্মণ হিসেবে বিদ্যাসাগর মশাই ছিলেন খুবই উন্নাসিক। তিনি কোনোদিন কারও দান গ্রহণ করতেন না। বহু রাজা মহারাজার বাড়িতে শ্রাদ্ধবাসরে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু দান গ্রহণ করেন নি। একমাত্র ব্যতিক্রম স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাতৃশ্রাদ্ধ। বিদ্যাসাগর জানতেন স্যার গুরুদাস খুবই মাতৃভক্ত। এই মা পিতৃহীন বালকের হৃদয়টি অশেষ যত্নে গড়ে তুলেছিলেন। বিদ্যাসাগর নিজেও মাতৃভক্ত। ভগবতী দেবী তাঁর কাছে সাক্ষাৎ ঈশ্বরী। স্যার গুরুদাসও খুবই মাতৃভক্ত ছিলেন এবং সেজন্য বিদ্যাসাগর মশাই তাঁকে বিলক্ষণ শ্রদ্ধা করতেন। বিদ্যাসাগর শ্রাদ্ধবাসরে হাজির ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে গুরুদাসবাবু একটি সুদৃশ্য রৌপ্য পেটিকা বিদ্যাসাগরের হাতে তুলে দেন। বিদ্যাসাগর সেই পেটিকা হাতে গ্রহণ করেন এবং মাথায় ঠেকান।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন