চণ্ডী লাহিড়ী
ফুটবলে মারামারি হাতাহাতি নিত্য ঘটনা। ইউরোপীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা যে শহরে অনুষ্ঠিত হয়, সেশহরে দাঙ্গা এড়াবার জন্য পুলিস, আধা-পুলিশ এমনকি সামরিক বাহিনীকেও মারামারি বন্ধ করতে নামানো হয়।
১৯৬৪-তে দক্ষিণ আমেরিকার লিমার জাতীয় স্টেডিয়ামে যে-ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়েছিল তার পরিণাম বিশাল দাঙ্গায়। সেই দাঙ্গায় ৩২০ জন দর্শক নিহত হয়। খেলার সময় রেফারি পেরু-টিমের একটি গোল বাতিল করেন। ফলে দর্শকদের একাংশ রাগে ফেটে পড়ে। দু-পক্ষই তৈরি ছিল মারামারির জন্য। শুরু হল দাঙ্গা। প্রথমে স্টেডিয়ামে, সেখান থেকে সারা শহরে।

তবে সবচেয়ে বড়ো দুর্ঘটনা ঘটেছিল বিশ্বকাপ খেলার সময় ১৯৬৯ সালে। হণ্ডুরাস এবং এল ডোরাডোর মধ্যে রেষারেষি অনেকদিন ধরেই চাপা আগুনের মতো ছিল। সেখানে খেলা চলাকালেই দর্শকরা দুপক্ষ যুদ্ধ ঘোষণা করে। রেফারি খেলা বন্ধ রেখে পালিয়ে যান। সৈন্যবাহিনী মাঠে নামে। তাতে কোনো ফল হয় না। শহরে যে দাঙ্গা হয় তাতে ২০০০ মানুষ মারা যায়।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন