ইতিহাসের বিকৃতি

চণ্ডী লাহিড়ী

ফরাসি বিপ্লবের শুরু হয়েছিল রানি আঁতোয়ানেৎ এবং ষোড়শ লুইকে ফাঁসির মধ্য দিয়ে। ফরাসিরা তো বটেই ইতিহাসও এই দুজনের প্রতি বড়ো বেশি নির্মমতা দেখিয়েছে। উত্তরকালে এ দুজনের জীবন নিয়ে যেসব গবেষণা হয়েছে তাতে এটা প্রমাণিত যে, রাজা ও রানির বিরুদ্ধে আনীত বেশির ভাগ অভিযোগই অতিরঞ্জিত। গড়পড়তা স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের আজও পড়ানো হয়, রানি আঁতোয়ানেৎ বলেছিলেন, ‘ওরা কেক খেতেই পারে।’ এ কথা রানি বলেননি। বলেছিলেন চতুর্দশ লুই-এর স্ত্রী। ষোড়শ লুই নাকি রাজ্যশাসন নিয়ে মাথাব্যথা করেননি। ফরাসিরা তাঁকে যখন গ্রেপ্তার করে তখন তাঁর নাকি ধ্যানজ্ঞান ছিল শিকার। বস্তুত তাঁর ডায়েরিতে রাজা লিখেছিলেন, কোনো হরিণ আজ শিকার করা হয়নি। তিনি কিন্তু হরিণ শিকার করতেই যাননি কারণ সরকারি কাজের চাপ ছিল।

ষোড়শ লুই এবং আঁতোয়ানেতের বিয়েটাও হয়েছিল জটিল পথে। ফ্রান্সের সঙ্গে অস্ট্রিয়ার সম্পর্ক দীর্ঘদিন ভালো ছিল না। দুটি দেশই পরস্পরকে সন্দেহের চোখে দেখে এসেছে। দুটি রাজপরিবারই ছিল ইউরোপে যথেষ্ট অহঙ্কারী এবং ধনগর্বে গর্বিত। কিন্তু ফ্রান্সের রাজা বিয়েটা ঘটিয়েছিলেন প্রাশিয়াকে চাপে রাখার জন্য। প্রাশিয়ার শত্রু অস্ট্রিয়ার রানি মারিয়া থেরেসার একমাত্র কন্যা আঁতোয়ানেৎ। ফ্রান্সের সম্রাট ষোড়শ লুইয়ের বাবা সদ্যপরলোকগত। ঠাকুরদা তখন বার্ধক্য নিয়ে সাম্রাজ্য শাসন করছেন। পাত্র-পাত্রী বয়সে সবে কৈশোর ছুঁয়েছেন। বিয়ের সময় লুই ১৫ এবং আঁতোয়ানেৎ ১৪ বছর।

বিয়ের তারিখ ১৬ মে—১৭৭০ সাল। অনুষ্ঠানের আগে প্রবল বৃষ্টিপাত হয় এবং সেজন্য আতসবাজির যে আয়োজন করা হয়েছিল, সব পন্ড হয়ে যায়। সেকালের নিয়মানুসারে ফরাসি রাজাপ্রাসাদে বালক-বালিকা বিশেষত তরুণী মেয়েদের প্রবেশ ছিল নিষিদ্ধ। কারণটা হল, রাজার দুই বর্ষীয়ান বোন ছিলেন যারা বিয়ে করেননি। তরুণী মেয়ে প্রাসাদে এলে যুবরাজ তাদের সঙ্গে ফষ্টিনষ্টি করতে পারেন—এই আশঙ্কা তাঁদের মনে ছিল প্রবল। ব্যাপারটা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে রাজার দুই চিরকুমারী বোন সদ্যবিবাহিত যুবরাজ ও যুবরানিকে একই ঘরে দীর্ঘকাল পর্যন্ত শুতে দেননি। ব্যাপারটি একদিন রাজার কানে গেল।

রাজা নি:শব্দে অন্য ব্যবস্থা করলেন। যুবরাজ ও তাঁর বউকে পাঠিয়ে দিলেন ভার্সাই প্রাসাদ ছেড়ে ক্যামপিয়েনে। সেখানে খুব ছোটো একটি প্রাসাদ ছিল। এখানে যুবরাজ প্রথম স্ত্রীর প্রেমে পড়লেন এবং তাদের দাম্পত্যজীবন শুরু হল।

লুই প্রথম থেকেই কাজ পাগল। পরোপকার ছিল তাঁর ব্রত। তরুণী রানি যখনই সম্রাটের সান্নিধ্য চান, জবাব আসে—খুব কাজে ব্যস্ত। রাত্রে তো দেখা হবেই।

একদিন এক খ্রিস্ট সন্ন্যাসিনী কালো পোশাকে আপাদমস্তক ঢেকে রাজার সাক্ষাৎ প্রার্থনা করলেন। সম্রাট লুই ডাকলেন তাঁকে। সন্ন্যাসিনী তাঁর পোশাকের আড়াল থেকে বললেন, তাঁদের মনাষ্টারির ছাদ ভেঙে পড়ছে, দেওয়ালের চুনকাম খসে পড়ছে। রাজাকে অনুরোধ যেন সারিয়ে দেন। রাজা বললেন—‘তিনি স্বয়ং অবস্থাটা দেখতে যাবেন।’

রাত্রে শয়নকক্ষে রানি আতোয়ানেৎ জানালেন, কষ্ট করে মনাষ্টারির দুরবস্থা দেখতে যেতে হবে না। রাজা বুঝতে পারলেন—সন্ন্যাসিনী আর কেউ নন, তাঁরই রানি আতোয়ানেৎ।

রানি আতোয়ানেৎ ছিলেন সরলবিশ্বাসী এবং স্বভাবভীরু মহিলা। ফরাসি পার্লামেন্ট সেসময় রাজার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করছিল—রাজার ওপর পার্লামেন্টের আস্থা ছিল না। এসময় রানির অগোচরে কিন্তু রানিকে কেন্দ্র করে এমন একটা ঘটনা ঘটে যায় যেটা স্কুল-কলেজের পাঠ্য বইয়ে স্থান পায়নি।

কার্ডিনাল দ্য রোহন ছিলেন ফ্রান্সের একজন খুবই ধনী ব্যক্তি। তাঁর ইচ্ছা ছিল ফ্রান্সের প্রধান মন্ত্রী হওয়া। কিন্তু সম্রাট লুই তাঁকে পছন্দ করতেন না। রানি আঁতোয়ানেৎ তাকে চিনতেন না। পছন্দ-অপছন্দের প্রশ্নই ওঠে না।

রানি আঁতোয়ানেতের কাছে পৌঁছোবার জন্য রোহন ভাব করলেন এক বিপজ্জনক মহিলার সঙ্গে। মেয়েটি খুবই সুন্দরী এবং পতিতা—নাম জাঁ লা মোৎ (Jeanne-La Motte), বয়স ২৮, নানারকম সাজে অতি দক্ষ। এই দুষ্ট রমণী কার্ডিনাল রোহনকে বুঝিয়েছিলেন, রানির সঙ্গে তাঁর খুবই বন্ধুত্ব। রানির মনের কথা তিনি যত জানেন, রাজাও ততটা জানেন না। বিশ্বাস হচ্ছে না? সোনার জলে রাজকীয় মোহর লাগানো কাগজে কিছু হিজিবিজি লেখা একটি চিঠিও রোহন পেলেন এই দুষ্ট রমণীর হাত দিয়ে। চিঠিতে নাকি লেখা আছে, রাত্রি সাড়ে এগারোটার সময় অন্ধকারে প্রাসাদের অদূরবর্তী বাগানে চারিধারে ঘেরা গাছপালার মাঝখানে রানি গোপনে আসবেন এবং কার্ডিনাল রোহনের সঙ্গে দেখা করবেন।

ব্যাপারটি তাই ঘটলো। গভীর রাত্রের অন্ধকারে রানি সেজে জাঁ লা মোৎ ছদ্মবেশে দেখা দিলেন কার্ডিনালকে। কার্ডিনাস রানির ছদ্মবেশে জাঁর হাতে চুম্বন করলেন। কথা বলেননি অবশ্য।

কার্ডিনাল রোহনের এখন রানিকে কিছুই না দেবার নেই। জাঁ লা মোৎ এরপর একদিন বললেন—রানি এক দুষ্ঠ পরিবারকে স্বহস্তে ৫০ হাজার লিভর (ফরাসি টাকা) দান করতে চান। রোহন পঞ্চাশ হাজার লিভর জাঁকে দিলেন। জুন মাসে প্রথমে ৫০ হাজার এবং নভেম্বরে একই কায়দায় জাঁ আরও পঞ্চাশ হাজার আদায় করলেন রানির নাম ব্যবহার করে।

এরপর ষড়যন্ত্র এগোল এক সর্বনাশা পরিণতির দিকে। রাজপরিবারের জুয়েলারের টাকার প্রয়োজন। তিনি একটি ভুবনবিখ্যাত নেকলেস বিক্রি করতে চান। এই নেকলেসটির চারটি থাকে ৩৮ সেন্টিমিটার মাপের ৬৪৭টি হিরে আছে। যার দাম ১.৬ মিলিয়ন লিভর। জাঁ বোঝালেন কার্ডিনালকে—রানির ইচ্ছা লেকলেসটি কিনবেন। কিন্তু রাজা যেন জানতে না-পারেন। রানি ধীরে ধীরে টাকাটা শোধ করে দেবেন। কার্ডিনাল রোহন দেরি করলেন না। নেকলেসটি জাঁকে দিলেন, যাতে গোপনে রানিকে তিনি দেন।

জাঁ নেকলেসটি নিয়ে তার হিরে একটি করে খুলে বেচতে লাগলেন। লণ্ডনের এক জুয়েলার ২৪০,০০০ লিভার দামে অনেকটাই কিনে নিলেন। বাকিটা প্যারিসের দামি জুয়েলাররা কিনলেন। নেকলেসের মালিক জুয়েলার কিন্তু রোহনের কাছে টাকা পাননি। রোহন গ্যারান্টার দাঁড়িয়েছিল। টাকা না পেয়ে ওই জুয়েলার রোহনের পিছনে না-ঘুরে সোজা রাজার কাছে নালিশ করলেন। রানি আতোয়ানেৎ সেসময় তাঁর তৃতীয় সন্তান চার্লসের জন্ম দিয়েছেন। গহনার কোনো সংবাদই তিনি রাখেন না। রাজা বিশ্বাস করলেন রানি আঁতোয়ানেতের কথায়।

রাজার আদেশে রোহনকে গ্রেপ্তার করে বাস্তিল কারাগারে পাঠানো হল। রাজার বিচারে জাঁ যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত হলেন।

পার্লামেন্ট এই ব্যাপারটি সুনজরে দেখেনি। পার্লামেন্টের অনেকেই মনে করলেন—রানি একেবারে নির্দোষ নন। পার্লামেন্টের বিচারে রোহন ছাড়া পেল। পার্লামেন্টের অনেকেই প্রকাশ্যে বলে বেড়ালেন—রানি আতোয়ানেৎ লোভী এবং দুশ্চরিত্রা রমণী।

পরবর্তীকালের গবেষণায় সবাই জেনেছেন রানি নির্দোষ। অথচ ঘটনাচক্রে তাঁকেই অপরাধী সাব্যস্ত করেছে।

অথচ জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য লুই ও আঁতোয়ানেৎ চেষ্টার ত্রুটি করেননি। বাবা পঞ্চম লুই মারা গেলেন জলবসন্তে (১০ মে ১৭৭৪), রোগটা ছোঁয়াচে—সিংহাসনের উত্তরাধিকারীকে যেতে দেওয়া হয়নি রোগীর ঘরে। একটি মৃদু মোমবাতির আলো রোগীর ঘরে জ্বালিয়ে রাখা হয়েছিল। রাজার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে মোমবাতিটাও নিভিয়ে দেওয়া হবে। মোমবাতির নেভা দেখে রাজপুত্র (যিনি ফরাসি সিংহাসনের উত্তরাধিকারী) বুঝে নেবেন—রাজা পরলোকে গেলেন।

রোমান ক্যাথলিক ধর্ম মেনে যুবরাজের করণীয় অনেক কিছু— সবই পালন করতে হবে তাঁকে। যুবরাজ লুই-এর ঠাকুরদা নব্বই বছরের আর এক লুই তখনো বেঁচে। তাঁকে পুত্রের মৃত্যুসংবাদটা জানানো জরুরি।

যাই হোক ষোড়শ লুই ও তাঁর রানি আঁতোয়ানেৎ সিংহাসনে উঠেই একটি জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিলেন। ফ্রান্সের প্রাচীন রীতি অনুসারে প্রজারা চাঁদা তুলে নতুন রাজা-রানির সিংহাসন আরোহণ উপলক্ষে ২৪ মিলিয়ন লিভার রাজা-রানিকে উপহার দেবেন। এই টাকার জন্য ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ পড়ত। অত্যাচার করে টাকা আদায় করা হত।

নতুন রাজা-রানি প্রথাটি তুলে দিলেন। পরদিন দেখা গেল, প্যারির প্রতিটি দোকানী তাঁদের রাজা রানির ছবি দোকানে টাঙ্গিয়েছে। ব্যাস্টিল দুর্গ থেকে এক-শো বন্দিকে তাঁরা মুক্তি দিলেন। ফ্রান্সের রাস্তায় যে-সব ঘোড়ার গাড়ি চলত সেগুলি ছিল খুব ভারী, ঘোড়াদের কষ্ট হত। সেসব গাড়ি বাতিল করে আধুনিক হাল্কা গাড়ি প্রবর্তন করলেন। আগে রাজকীয় আদেশে ফরাসি মদ বিদেশে রপ্তানি বন্ধ ছিল। সিংহাসনে বসেই ষোড়শ লুই আদেশ দিলেন—‘বিদেশে মদ রপ্তানি করা যেতে পারে। তাতে বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।’ এতে ব্যবসায়ীরা হলেন বেজায় খুশি। পালাকাররা গান রচনা করলেন—স্বর্ণযুগ এসে গেছে ফ্রান্সে।

আঁতোয়ানেতের রুচি ছিল শিল্পসম্মত। রাজবাড়ির চেয়ার-টেবিল, জানালা-টেপেস্ট্রি, খাবার টেবিলের প্যাটার্ন সব নতুন করে শিল্পসম্মত করে নির্মাণ করা হয়। আঁতোয়ানেৎ যা শুরু করেন, সারা ইউরোপের নানা রাজার প্রাসাদে তারই অনুকরণ চলে। ফ্রান্সের মর্যাদা নতুন রাজদম্পতি অল্পদিনেই বহুগুণ বাড়িয়েছিলেন।

এত জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও আঁতোয়ানেৎ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন। তাঁর প্রাণদন্ড হয়েছিল। সবটাই ষড়যন্ত্র। ইতিহাস বলছে, তিনি ন্যায়বিচার পাননি।

সকল অধ্যায়
১.
পরীক্ষায় ফেল বিধানচন্দ্র
২.
আগে থিয়েটার
৩.
দিশি নাগরা
৪.
এমিলির রাগ
৫.
ডারউইনের বন্ধু ওয়ালেস
৬.
মহামূল্য প্রস্রাব
৭.
আদালতে ব্রহ্মবান্ধব
৮.
মায়ের ছবি
৯.
অসামান্যা সুন্দরী নিবেদিতা
১০.
বাইফোকাল চশমার আবিষ্কারক ফ্রাঙ্কলিন
১১.
বেলুনে প্রথম মানুষ
১২.
দুঃসাহসিক গ্যালিলিয়ো
১৩.
সৎ মানুষ ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য
১৪.
এমার্জেন্সি কাকে বলে!
১৫.
হার মানা হার
১৬.
সাধারণ মানুষ ফৈয়াজভাই
১৭.
হাইকুলেখক মিশিমা
১৮.
প্রথম জিজ্ঞাসা চিহ্ন
১৯.
অশুভ সময়ের শুভলক্ষ্মী
২০.
দরিদ্র চ্যাপলিন
২১.
নিজের পাড়ায় ভীষ্মদেব
২২.
সূর্য নিজের নিয়মে চলবে
২৩.
তরুণ মোহনচাঁদ
২৪.
বাবা আলাউদ্দিন
২৫.
মৎস্য শিকারী সুভাষদা
২৬.
পাগল না প্রতিভা?
২৭.
আমেরিকায় শিশির ভাদুড়ী
২৮.
ইংরেজি বলার ভয়ে
২৯.
রঞ্জির গায়ের রং
৩০.
পাঠক স্ট্যালিন
৩১.
নোবেলও মূল্যহীন
৩২.
সোফিয়া লোরেনই শেষ কথা
৩৩.
বাকিংহামের সংসার
৩৪.
গোঁফের আমি গোঁফের তুমি
৩৫.
স্যাণ্ডুইচ আবিষ্কার
৩৬.
শম্ভু মিত্র
৩৭.
মুষ্টিযোদ্ধা মেয়ে
৩৮.
প্রজাপতি বিশারদ নবোকভ
৩৯.
দ্য ভিঞ্চি
৪০.
গোমাংস সংরক্ষণ
৪১.
অনন্য জনপ্রিয়তা
৪২.
জিন্নার অপ্রিয় ভাষণ
৪৩.
দুঃখীজনের বন্ধু
৪৪.
দুই পন্ডিত
৪৫.
কানাকেষ্টর গান
৪৬.
রাখালদাসের রাগ
৪৭.
ক্ষীরের শোভাযাত্রা
৪৮.
রাজা ডেকেছেন
৪৯.
আগে রাম, পরে কাম
৫০.
একটি গানের জন্য
৫১.
হস্তিপালক শিল্পী রবি বর্মা
৫২.
ইয়েটস
৫৩.
অনেক বাধা পেরিয়ে
৫৪.
সত্যেন দত্তর রবীন্দ্রানুরাগ
৫৫.
শ্রীনাথ দাসের বাৎসল্য
৫৬.
অসউহজের ভয়ঙ্কর স্মৃতি
৫৭.
মন্তেসরি
৫৮.
মোসার্টের মৃত্যুরহস্য
৫৯.
বিটোফেন অভিজাত ছিলেন না
৬০.
রায় লেখেন
৬১.
উডি এ্যালেন
৬২.
বৃদ্ধস্য তরুণী ভার্যা
৬৩.
কয়েক ঝুড়ি মদের বোতল
৬৪.
পাথুরিয়াঘাটা নাম কেন?
৬৫.
গুণ্ডা বিহারীলাল
৬৬.
এদেশে ঘড়ির ব্যবসা
৬৭.
রে: কৃষ্ণমোহন
৬৮.
মনীষী হরিনাথ দে
৬৯.
পিতা বিদ্যাসাগর
৭০.
আদর্শ অধ্যাপক
৭১.
অধ্যাপক নির্মল মজুমদার
৭২.
আবার বিদ্যাসাগর
৭৩.
সেন্ট বার্নার্ড ডগ
৭৪.
প্রথম ব্যাকরণ
৭৫.
মদ খেলেও মাতাল নন
৭৬.
তাজমহলের আদি স্রষ্টা
৭৭.
মুজতবা আলির গীতাপাঠ
৭৮.
গোঁড়া ব্রাহ্মণ চপলাকান্ত
৭৯.
পক্ষীর দল
৮০.
Leaves of Grass
৮১.
রাজকুমারী ডায়ানার অকালমৃত্যু
৮২.
হেস্টিংস-এর বিচার
৮৩.
গঙ্গাজলের ব্র্যাণ্ড নেম
৮৪.
গৌরী সেনের লাখ টাকা
৮৫.
সুরসন্ধানী যোশী
৮৬.
সবচেয়ে জরুরি
৮৭.
নিরস্ত্রকে আক্রমণ
৮৮.
গুয়ের্নিকায় বাঙালী
৮৯.
অভিনেতা পাহাড়ী সান্যালের আবির্ভাব
৯০.
ক্যামেরার সামনে উত্তমকুমার
৯১.
নাসেরের প্রিয় ছবি মাদার ইন্ডিয়া
৯২.
ভূকম্পনের রিখটার
৯৩.
পরিচালক ডেভিড নিভেন
৯৪.
রানির কাজ
৯৫.
পালকি ধর্মঘট
৯৬.
ঘরে ঘরে হোমিওপ্যাথি
৯৭.
মেরি কার্পেন্টার;
৯৮.
সরল বাংলায় রবীন্দ্রনাথ
৯৯.
সান্টা কোথা থেকে?
১০০.
অভিনেত্রী প্রযোজক কথা
১০১.
তরুণ সমর সেন
১০২.
ব্যারিস্টার জিন্না
১০৩.
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডয়েস
১০৪.
খরগোশের নাম বানি
১০৫.
বিমলচন্দ্র ও গান্ধীজি
১০৬.
শ’র হাতের ছাপ
১০৭.
কাবুলিওয়ালার অনুবাদ
১০৮.
অকারণ খ্যাতি
১০৯.
ও-টি
১১০.
ব্র্যাডম্যান
১১১.
সোনার কেল্লার জাতিস্মর
১১২.
ড. জনসন
১১৩.
শেষ সম্রাট
১১৪.
কেনিয়াট্টার রাগ
১১৫.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও দেওধর
১১৬.
থর হেয়ারডাল
১১৭.
ফুটবল নিয়ে দাঙ্গা
১১৮.
খালি স্টেডিয়ামে খেলা
১১৯.
কানন দেবীর অভিমান
১২০.
নেপোলিয়নের অন্যদিক
১২১.
পলাতক ক্লাইভ
১২২.
কিছু বাঁশ দিয়ে
১২৩.
অন্যের নামে
১২৪.
এ্যাসেজ
১২৫.
কত রুবি চাই?
১২৬.
মা
১২৭.
কবির সন্ধানে কবি
১২৮.
গুরুদাসের মহানুভবতা
১২৯.
বিদ্যাসাগর উদারমনা
১৩০.
রামমোহন প্রসঙ্গ
১৩১.
না বুঝে কারে তুমি ভাসালে আঁখিজলে
১৩২.
মুজতবা আলি
১৩৩.
অক্সফোর্ডের জন্ম
১৩৪.
টাউন বনাম গাউন
১৩৫.
আলাস্কায় বিশ্ববিদ্যালয়
১৩৬.
ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়
১৩৭.
ডালটনের সভায় বিভ্রাট
১৩৮.
সীমান্ত গান্ধী
১৩৯.
ডন সোসাইটি ও রাজেন্দ্রপ্রসাদ
১৪০.
রাখি উৎসব
১৪১.
বাঙালির জাতীয় পোশাক
১৪২.
হেমিংওয়ে পুরস্কার
১৪৩.
ঘরজামাই
১৪৪.
ধরা পড়েছে জয় মিত্তির
১৪৫.
ইতিহাসের বিকৃতি
১৪৬.
শুক্রবার ১৩ তারিখ সত্যিই অশুভ
১৪৭.
প্রকাশ্যে সন্তান-প্রসব
১৪৮.
সব পিরামিডে মমি থাকে না
১৪৯.
ডিকেন্সের ক্রিসমাস
১৫০.
দানবীর নীলমণি মল্লিক
১৫১.
শেকসপিয়রের জন্য শিল্পীরা
১৫২.
মার্বেল প্যালেস
১৫৩.
কালি মুখার্জীর রসগোল্লা
১৫৪.
কিংবদন্তী সম্পাদকীয়
১৫৫.
স্ট্যাচু অব লিবার্টির জন্য চাঁদা
১৫৬.
নোবেলজয়ী পাস্তেরন্যাক
১৫৭.
এ্যারিস্টটলের ছাত্র
১৫৮.
শাজাহানের তাজমহল— একটি লজ্জা
১৫৯.
আমরা সবাই রাজা
১৬০.
দরিদ্র ভারতবাসীর তরফে
১৬১.
দি ব্রিজ অন দ্য রিভার কোয়াই
১৬২.
বাবু বিলাস
১৬৩.
রামবিলাস
১৬৪.
আশুতোষ ও বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
১৬৫.
সতীদাহ নিয়ে পন্ডিতী তর্ক
১৬৬.
নফর কুন্ডু
১৬৭.
কাঙালি ভোজন
১৬৮.
আমার গুরু বিদ্যাসাগর
১৬৯.
হ্যারিসন রোড
১৭০.
একা বিবেকানন্দ
১৭১.
অকলঙ্ক নেহরু
১৭২.
আনা ফ্রাঙ্ক
১৭৩.
দুর্ভাগা হল্যাণ্ড
১৭৪.
মাইনর বীরায়ন
১৭৫.
শিল্পপতি আলামোহন
১৭৬.
নাতির নামে নামকরণ
১৭৭.
অলৌকিক
১৭৮.
দাদাঠাকুর
১৭৯.
বধির বিটোফেন
১৮০.
যোগী অরবিন্দ
১৮১.
হাসির অন্তরালে
১৮২.
দুশ্চরিত্র রুশো
১৮৩.
ইংরেজ না ব্রিটিশ?
১৮৪.
গরিবের স্কুল
১৮৫.
লা ফাম
১৮৬.
রাধাবিনোদের স্পষ্ট উক্তি
১৮৭.
স্পষ্টবাক বিদ্যাসাগর
১৮৮.
বীরত্বে বাঙালি
১৮৯.
বাঙালির শরীরচর্চা
১৯০.
রাইবেশে
১৯১.
বিশ্বেশ্বরায়া
১৯২.
পাঞ্চের জন্ম
১৯৩.
জনগণের গায়ক সিগার
১৯৪.
রসিক অরবিন্দ
১৯৫.
না-জানা মেরিলিন মনরো
১৯৬.
শচিনকর্তার মাছধরা
১৯৭.
একটি আজটেক বিশ্বাস
১৯৮.
বিদেশের দৈব্যের বশে
১৯৯.
বাঙালকে হাইকোর্ট দেখানো
২০০.
সব নান্দনিক নয়
২০১.
বাইবেল যুগে যুগে
২০২.
জগদীশচন্দ্রের মৌলিকতা
২০৩.
He-goat, she-goat
২০৪.
প্রফুল্ল সেনের অজ্ঞতা
২০৫.
তুখোড় রাসবিহারী
২০৬.
নিজের ভুঁড়ি অপারেশন
২০৭.
লম্বু
২০৮.
ইগোর লড়াই
২০৯.
শচীনকর্তার মাছধরা
২১০.
অতুলপ্রসাদী
২১১.
ওস্তাদের ওস্তাদ
২১২.
বিজ্ঞানী বিপ্লবী
২১৩.
ডালির ধাপ্পা
২১৪.
বাঙালের ঝগড়া
২১৫.
দৃষ্টিভ্রম
২১৬.
দাদাঠাকুর
২১৭.
প্রফুল্লচন্দ্রের ঘুসি
২১৮.
বিভূতিভূষণের হোটেল
২১৯.
কপিলদেবের রসবোধ
২২০.
শ’র দর্শন
২২১.
গওহরজানের ব্যক্তিত্ব
২২২.
থামের আমি, থামের তুমি
২২৩.
ভূতের ভয়
২২৪.
উত্তমকুমারের আভিজাত্যবোধ
২২৫.
প্রসাধন থেকে বই
২২৬.
শিশু প্রতিভার উৎস
২২৭.
শ্বাসপ্রশ্বাস রহস্য
২২৮.
বজ্র কেমন!
২২৯.
রানির অভিষেকে চার্চের তেল
২৩০.
প্রথম টাকশাল (Mint)
২৩১.
কালচার চাই
২৩২.
ছি ছি
২৩৩.
শ্রোডিংগারের বিড়াল
২৩৪.
বকলমে
২৩৫.
আড়াইশো টাকায় কপিরাইট
২৩৬.
প্রেমিক নেপোলিয়ন
২৩৭.
কৌতুকশিল্পীরা
২৩৮.
গাধার দুধ
২৩৯.
প্রেমিক নেপোলিয়ন
২৪০.
নোবেল প্রত্যাখ্যান
২৪১.
হিটলার নির্মম কেন?
২৪২.
বাঙালির কেচ্ছাপ্রিয়তা
২৪৩.
আইনস্টাইনের খ্যাপামি
২৪৪.
মায়ের স্মৃতি

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%