চণ্ডী লাহিড়ী
হিটলারের ইহুদি-নিধন বিশ্বের ইতিহাসে নৃশংসতম ঘটনা। সেজন্য ইহুদিদের প্রতি বহুমানুষের সমবেদনা অপরিমেয়। ইহুদিরা কিন্তু ব্যবসায়ী মনোবৃত্তিসম্পন্ন গোষ্ঠী। এই যে সহানুভূতির ঢেউ সেটাকে কৌশলে কাজে লাগানোর ব্যাপারেও তারা খুব তৎপর। প্রথমত, ক্ষতিপূরণ নানা মহল থেকে আসে—নিজের পরিবারে বেশি মানুষকে শহিদ হিসেবে দেখাতে পারলে বেশি ক্ষতিপূরণ পাওয়া যেতে পারে।

অসডইজের সেই নারকীয় ঘটনার স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য ইহুদিরা জেরুজালেমের আশেপাশে প্রায় গ্রূপ থিয়েটারের মারফত পুরাতন স্মৃতি জাগিয়ে তোলে। বিশেষ করে বিদেশি পর্যটকরা এলে।
নিজেদের মধ্যে ঠাট্টা রসিকতা, জোকস ইত্যাদির মারফতও তারা অসউইজকে বাঁচিয়ে রাখে। তার পরিবারের ব্যাবসা কী ছিল সেসময়। উত্তরদাতা অক্লেশে মিথ্যা বলে দিল। ডয়েশ ব্যাঙ্কের অর্ধেক মালিকানাই তো আমাদের।
—তোদের রেশন কার্ডে পরিবারের লোকসংখ্যা লেখা আছে বাইশজন, অথচ গুণে দেখা যাচ্ছে মাত্র তিনজন। বাকিরা কোথায়?
—হিটলার বাকিদের ধরে নিয়ে গেছে। একটু পরেই ফেরৎ পাঠাবে বলেছে। সেজন্য রেশন কার্ডে নামগুলো রেখে দিয়েছে।
সারাবিশ্ব একদিকে যেমন হিটলারকে নৃশংসতার জন্য ঘৃণা করে, ইহুদিদের দেওয়া হত্যা-তথ্যকেও এখন কেউ বিশ্বাস করে না।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন