চণ্ডী লাহিড়ী
গল্পটা শিবরামদার কাছে শোনা। সত্যমিথ্যার দায় তাঁর। বিভূতিভূষণ কলকাতায় একটা হোটেল খুলেছিলেন। আমহার্স্ট স্ট্রিট হ্যারিসন রোডের ক্রসিং-এ দাঁড়িয়ে উল্টোদিকে (দক্ষিণ) একটা বাড়ি দেখিয়ে বললেন, অনেকের কাছে টাকা ধার করেছিল বিভূতি হোটেলটা করার জন্য, আমার কাছেও।
শিবরামদা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
—তাঁর গাঁয়ের লোকেরা শেয়ালদা নেমেই ছুটতো বিভূতির হোটেলে। দাম দিত না কেউ। উঠে গেল। গাঁয়ের লোকেদের অত খাওয়ালে চলে! সাহিত্যিকরা কী কম আদেখলে! খায় কিন্তু দাম দেয় না।
আমার কৌতূহলী প্রশ্ন—আপনার টাকা ফেরত পেয়েছিলেন?
—এক পয়সাও না। আমায় খাইয়ে শোধ করার তালে ছিল। খুব বোকা। যে যা বলত বিশ্বাস করত। সাহিত্যিকরা খুব স্বার্থপর—ওকে ঠকিয়েও কেউ লজ্জা পেত না।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন