চণ্ডী লাহিড়ী
ইসাইয়া বার্লিন যুদ্ধের সময় আমেরিকার বিখ্যাত দার্শনিক ও অর্থনীতির অধ্যাপক। অরিভিং বার্লিন বিখ্যাত সংগীত শিল্পী। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিলের নিমন্ত্রণের চিঠি ভুল করে ইসাইয়ার বদলে আরিভিং-এর কাছে চলে গেছে। আরিভিং খাবার টেবিলে বসে দু-একটি কথার পরই বুঝতে পারলেন, তিনি ভুলক্রমে এসে গেছেন। চার্চিলকে কিছুই বুঝতে দিলেন না। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পারলেন না, অর্থনীতিবিদ বার্লিনের বদলে সংগীতজ্ঞ এক বার্লিন ভোজের টেবিলে হাজির। সংগীতজ্ঞ বার্লিন প্রথমেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে বললেন, ‘যুদ্ধ মানেই বোমাবর্ষণ, অকারণে লোকের মৃত্যু। তাছাড়া সবচেয়ে বড়ো ঝামেলা রেশন সংগ্রহের জন্য লাইনে দাঁড়ানো। তাছাড়া যুদ্ধ নিয়ে টম-ডিক-হ্যারি সবাই কথা বলতে পারে, কিন্তু স্যার উইনস্টন চার্চিল তো একজন আর্টিস্ট। এই ভরপুর যুদ্ধের সময়েও তাঁর শিল্পীমনের মৃত্যু হয়নি। আমি তাঁর জন্য নতুন একটি সুর তৈরি করেছি।’
চার্চিল শেষ সময়েও বুঝতে পারেননি একজন সংগীতজ্ঞ ভোজসভায় ভুলক্রমে এসে গেছেন। ভোজসভা শেষ হলে সংগীতজ্ঞকে নিজের গাড়ি করে তাঁর বাড়িতে পাঠিয়ে দিলেন।
মিসেস বার্লিন ব্যাপারটা শুনে তাঁর স্বামীকে প্রশ্ন করলেন, ‘তোমার একটু ভয় করল না?’
মি. বার্লিন বললেন, ‘চার্চিল সংগীতের কিছুই বোঝে না। সেজন্যই আমার প্রশংসার টোপটা গিলে ফেলল।’
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন