পুরস্কার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সেদিন বরষা ঝরঝর ঝরে

কহিল কবির স্ত্রী,

‘রাশি রাশি মিল করিয়াছ জড়ো,

রচিতেছ বসি পুঁথি বড়ো বড়ো,

মাথার উপরে বাড়ি পড়ো-পড়ো

তার খোঁজ রাখ কি!

গাঁথিছ ছন্দ দীর্ঘ হ্রস্ব—

মাথা ও মুণ্ড, ছাই ও ভস্ম,

মিলিবে কি তাহে হস্তী অশ্ব,

না মিলে শস্যকণা ৷

অন্ন জোটে না, কথা জোটে মেলা,

নিশিদিন ধ’রে এ কী ছেলেখেলা!

ভারতীরে ছাড়ি ধরো এইবেলা

লক্ষ্মীর উপাসনা ৷

ওগো, ফেলে দাও পুঁথি ও লেখনী,

যা করিতে হয় করহ এখনি ৷

এত শিখিয়াছ এটুকু শেখ নি

কিসে কড়ি আসে দুটো!’

দেখি সে মুরতি সর্বনাশিয়া

কবির পরান উঠিল ত্রাসিয়া,

পরিহাসছলে ঈষৎ হাসিয়া

কহে জুড়ি করপুট,

‘ভয় নাহি করি ও মুখ-নাড়ারে,

লক্ষ্মী সদয় লক্ষ্মীছাড়ারে,

ঘরেতে আছেন নাইকো ভাঁড়ারে

এ কথা শুনিবে কেবা!

আমার কপালে বিপরীত ফল—

চপলা লক্ষ্মী মোরে অচপল,

ভারতী না থাকে থির এক পল

এত করি তাঁর সেবা ৷

তাই তো কপাটে লাগাইয়া খিল

স্বর্গে মর্তে খুঁজিতেছি মিল,

আনমনা যদি হই এক-তিল

অমনি সর্বনাশ!’

মনে মনে হাসি মুখ করি ভার

কহে কবিজায়া, ‘পারি নেকো আর,

ঘরসংসার গেল ছারেখার,

সব তাতে পরিহাস!’

এতেক বলিয়া বাঁকায়ে মুখানি

শিঞ্জিত করি কাঁকন-দুখানি

চঞ্চল করে অঞ্চল টানি

রোষছলে যায় চলি ৷

হেরি সে ভুবন-গরব-দমন

অভিমানবেগে অধীর গমন

উচাটন কবি কহিল, ‘অমন

যেয়ো না হৃদয় দলি ৷

ধরা নাহি দিলে ধরিব দু পায়,

কী করিতে হবে বলো সে উপায়,

ঘর ভরি দিব সোনায় রুপায়—

বুদ্ধি জোগাও তুমি ৷

একটুকু ফাঁকা যেখানে যা পাই

তোমার মুরতি সেখানে চাপাই,

বুদ্ধির চাষ কোনোখানে নাই—

সমস্ত মরুভূমি ৷’

‘হয়েছে, হয়েছে, এত ভালো নয়’

হাসিয়া রুষিয়া গৃহিণী ভনয়,

‘যেমন বিনয় তেমনি প্রণয়

আমার কপালগুণে ৷

কথার কখনো ঘটে নি অভাব,

যখনি বলেছি পেয়েছি জবাব,

একবার ওগো বাক্য-নবাব

চলো দেখি কথা শুনে ৷

শুভ দিন ক্ষণ দেখো পাঁজি খুলি,

সঙ্গে করিয়া লহো পুঁথিগুলি,

ক্ষণিকের তরে আলস্য ভুলি

চলো রাজসভা-মাঝে ৷

আমাদের রাজা গুণীর পালক,

মানুষ হইয়া গেল কত লোক,

ঘরে তুমি জমা করিলে শোলোক

লাগিবে কিসের কাজে!’

কবির মাথায় ভাঙি পড়ে বাজ,

ভাবিল— বিপদ দেখিতেছি আজ,

কখনো জানি নে রাজা মহারাজ,

কপালে কী জানি আছে!

মুখে হেসে বলে, ‘এই বৈ নয়!

আমি বলি, আরো কী করিতে হয়!

প্রাণ দিতে পারি, শুধু জাগে ভয়

বিধবা হইবে পাছে ৷

যেতে যদি হয় দেরিতে কী কাজ,

ত্বরা করে তবে নিয়ে এসো সাজ—

হেমকুণ্ডল, মণিময় তাজ,

কেয়ূর, কনকহার ৷

বলে দাও মোর সারথিরে ডেকে

ঘোড়া বেছে নেয় ভালো ভালো দেখে,

কিঙ্করগণ সাথে যাবে কে কে

আয়োজন করো তার ৷’

ব্রাহ্মণী কহে, ‘মুখাগ্রে যার

বাধে না কিছুই, কী চাহে সে আর

মুখ ছুটাইলে রথাশ্বে তার

না দেখি আবশ্যক ৷

নানা বেশভূষা হীরা রুপা সোনা

এনেছি পাড়ার করি উপাসনা,

সাজ করে লও পুরায়ে বাসনা,

রসনা ক্ষান্ত হোক ৷’

এতেক বলিয়া ত্বরিতচরণ

আনে বেশবাস নানান-ধরন,

কবি ভাবে মুখ করি বিবরণ—

আজিকে গতিক মন্দ ৷

গৃহিণী স্বয়ং নিকটে বসিয়া

তুলিল তাহারে মাজিয়া ঘষিয়া,

আপনার হাতে যতনে কষিয়া

পরাইল কটিবন্ধ ৷

উষ্ণীষ আনি মাথায় চড়ায়,

কণ্ঠী আনিয়া কণ্ঠে জড়ায়,

অঙ্গদ দুটি বাহুতে পরায়,

কুণ্ডল দেয় কানে ৷

অঙ্গে যতই চাপায় রতন

কবি বসি থাকে ছবির মতন,

প্রেয়সীর নিজ হাতের যতন

সেও আজি হার মানে ৷

এইমতে দুই প্রহর ধরিয়া

বেশভূষা সব সমাধা করিয়া

গৃহিণী নিরখে ঈষৎ সরিয়া

বাঁকায়ে মধুর গ্রীবা ৷

হেরিয়া কবির গম্ভীর মুখ

হৃদয়ে উপজে মহা কৌতুক;

হাসি উঠি কহে ধরিয়া চিবুক,

‘আ মরি, সেজেছ কিবা!’

ধরিল সমুখে আরশি আনিয়া;

কহিল বচন অমিয় ছানিয়া,

‘পুরনারীদের পরান হানিয়া

ফিরিয়া আসিবে আজি ৷

তখন দাসীরে ভুলো না গরবে,

এই উপকার মনে রেখো তবে,

মোরেও এমনি পরাইতে হবে

রতনভূষণরাজি ৷’

কোলের উপরে বসি বাহুপাশে

বাঁধিয়া কবিরে সোহাগে সহাসে

কপোল রাখিয়া কপোলের পাশে

কানে কানে কথা কয় ৷

দেখিতে দেখিতে কবির অধরে

হাসিরাশি আর কিছুতে না ধরে,

মুগ্ধ হৃদয় গলিয়া আদরে

ফাটিয়া বাহির হয় ৷

কহে উচ্ছ্বসি, ‘কিছু না মানিব,

এমনি মধুর শ্লোক বাখানিব

রাজভাণ্ডার টানিয়া আনিব

ও রাঙা চরণতলে!’

বলিতে বলিতে বুক উঠে ফুলি,

উষ্ণীষ-পরা মস্তক তুলি

পথে বাহিরায় গৃহদ্বার খুলি,

দ্রুত রাজগৃহে চলে ৷

কবির রমণী কুতূহলে ভাসে,

তাড়াতাড়ি উঠি বাতায়নপাশে

উঁকি মারি চায়, মনে মনে হাসে—

কালো চোখে আলো নাচে ৷

কহে মনে মনে বিপুলপুলকে—

রাজপথ দিয়ে চলে এত লোকে,

এমনটি আর পড়িল না চোখে

আমার যেমন আছে ৷ ৷

এ দিকে কবির উৎসাহ ক্রমে

নিমেষে নিমেষে আসিতেছে কমে,

যখন পশিল নৃপ-আশ্রমে

মরিতে পাইলে বাঁচে ৷

রাজসভাসদ সৈন্য পাহারা

গৃহিণীর মতো নহে তো তাহারা,

সারি সারি দাড়ি করে দিশাহারা—

হেথা কি আসিতে আছে!

হেসে ভালোবেসে দুটো কথা কয়

রাজসভাগৃহ হেন ঠাঁই নয়,

মন্ত্রী হইতে দ্বারীমহাশয়

সবে গম্ভীরমুখ ৷

মানুষে কেন যে মানুষের প্রতি

ধরি আছে হেন যমের মুরতি

তাই ভাবি কবি না পায় ফুরতি—

দমি যায় তার বুক ৷

বসি মহারাজ মহেন্দ্ররায়

মহোচ্চ গিরিশিখরের প্রায়,

জন-অরণ্য হেরিছে হেলায়

অচল-অটল ছবি ৷

কৃপানির্ঝর পড়িছে ঝরিয়া

শত শত দেশ সরস করিয়া,

সে মহামহিমা নয়ন ভরিয়া

চাহিয়া দেখিল কবি ৷

বিচার সমাধা হল যবে, শেষে

ইঙ্গিত পেয়ে মন্ত্রী-আদেশে

জোড়করপুটে দাঁড়াইল এসে

দেশের প্রধান চর ৷

অতি সাধুমত আকার প্রকার,

এক-তিল নাহি মুখের বিকার,

ব্যবসা যে তাঁর মানুষ-শিকার

নাহি জানে কোনো নর ৷

ব্রত নানামত সতত পালয়ে,

এক কানাকড়ি মূল্য না লয়ে

ধর্মোপদেশ আলয়ে আলয়ে

বিতরিছে যাকে তাকে ৷

চোরা কটাক্ষ চক্ষে ঠিকরে—

কী ঘটিছে কার, কে কোথা কী করে

পাতায় পাতায় শিকড়ে শিকড়ে

সন্ধান তার রাখে ৷

নামাবলী গায়ে বৈষ্ণবরূপে

যখন সে আসি প্রণমিল ভূপে,

মন্ত্রী রাজারে অতি চুপে চুপে

কী করিল নিবেদন ৷

অমনি আদেশ হইল রাজার,

‘দেহো এঁরে টাকা পঞ্চ হাজার ৷’

‘সাধু সাধু’ কহে সভার মাঝার

যত সভাসদজন ৷

পুলক প্রকাশে সবার গাত্রে—

‘এ যে দান ইহা যোগ্যপাত্রে,

দেশের আবাল-বনিতা-মাত্রে

ইথে না মানিবে দ্বেষ ৷’

সাধু নুয়ে পড়ে নম্রতাভরে,

দেখি সভাজন ‘আহা আহা’ করে,

মন্ত্রীর শুধু জাগিল অধরে

ঈষৎ হাস্যলেশ ৷

আসে গুটি গুটি বৈয়াকরণ

ধূলিভরা দুটি লইয়া চরণ

চিহ্নিত করি রাজাস্তরণ

পবিত্র পদপঙ্কে ৷

ললাটে বিন্দু বিন্দু ঘর্ম,

বলি-অঙ্কিত শিথিল চর্ম,

প্রখরমূর্তি অগ্নিশর্ম—

ছাত্র মরে আতঙ্কে ৷

কোনো দিকে কোনো লক্ষ না ক’রে

পড়ি গেল শ্লোক বিকট হাঁ ক’রে,

মটর কড়াই মিশায়ে কাঁকরে

চিবাইল যেন দাঁতে ৷

কেহ তার নাহি বুঝে আগুপিছু,

সবে বসি থাকে মাথা করি নিচু;

রাজা বলে, ‘এঁরে দক্ষিণা কিছু

দাও দক্ষিণ হাতে ৷’

তার পরে এল গনৎকার,

গণনায় রাজা চমৎকার,

টাকা ঝন ঝন ঝনৎকার

বাজায়ে সে গেল চলি ৷

আসে এক বুড়া গণ্যমান্য

করপুটে লয়ে দূর্বাধান্য,

রাজা তাঁর প্রতি অতি বদান্য

ভরিয়া দিলেন থলি ৷

আসে নট ভাট রাজপুরোহিত—

কেহ একা কেহ শিষ্য-সহিত,

কারো বা মাথায় পাগড়ি লোহিত

কারো বা হরিৎবর্ণ ৷

আসে দ্বিজগণ পরমারাধ্য—

কন্যার দায়, পিতার শ্রাদ্ধ—

যার যথামত পায় বরাদ্দ;

রাজা আজি দাতাকর্ণ ৷

যে যাহার সবে যায় স্বভবনে,

কবি কী করিবে ভাবে মনে মনে,

রাজা দেখে তারে সভাগৃহকোণে

বিপন্নমুখছবি ৷

কহে ভূপ, ‘হোথা বসিয়া কে ওই,

এসো তো, মন্ত্রী, সন্ধান লই ৷’

কবি কহি উঠে, ‘আমি কেহ নই,

আমি শুধু এক কবি ৷’

রাজা কহে, ‘বটে! এসো এসো তবে,

আজিকে কাব্য-আলোচনা হবে ৷’

বসাইলা কাছে মহাগৌরবে

ধরি তার কর দুটি ৷

মন্ত্রী ভাবিল, যাই এই বেলা,

এখন তো শুরু হবে ছেলেখেলা—

কহে, ‘মহারাজ, কাজ আছে মেলা,

আদেশ পাইলে উঠি ৷’

রাজা শুধু মৃদু নাড়িলা হস্ত,

নৃপ-ইঙ্গিতে মহাতটস্থ

বাহির হইয়া গেল সমস্ত

সভাস্থ দলবল—

পাত্র মিত্র অমাত্য আদি,

অর্থী প্রার্থী বাদী প্রতিবাদী,

উচ্চ তুচ্ছ বিবিধ-উপাধি

বন্যার যেন জল ৷ ৷

চলি গেল যবে সভ্যসুজন

মুখোমুখি করি বসিলা দুজন;

রাজা বলে, ‘এবে কাব্যকূজন

আরম্ভ করো কবি ৷’

কবি তবে দুই কর জুড়ি বুকে

বাণীবন্দনা করে নত মুখে,

‘প্রকাশো জননী নয়নসমুখে

প্রসন্ন মুখছবি ৷

বিমল মানসসরস-বাসিনী

শুক্লবসনা শুভ্রহাসিনী

বীণাগঞ্জিতমঞ্জুভাষিণী

কমলকুঞ্জাসনা,

তোমারে হৃদয়ে করিয়া আসীন

সুখে গৃহকোণে ধনমানহীন

খ্যাপার মতন আছি চিরদিন

উদাসীন আনমনা ৷

চারি দিকে সবে বাঁটিয়া দুনিয়া

আপন অংশ নিতেছে গুনিয়া,

আমি তব স্নেহবচন শুনিয়া

পেয়েছি স্বরগসুধা ৷

সেই মোর ভালো, সেই বহু মানি,

তবু মাঝে মাঝে কেঁদে ওঠে প্রাণী—

সুরের খাদ্যে জানো তো মা, বাণী,

নরের মিটে না ক্ষুধা ৷

যা হবার হবে সে কথা ভাবি না,

মা গো, একবার ঝংকারো বীণা,

ধরহ রাগিণী বিশ্বপ্লাবিনী

অমৃত-উৎস-ধারা ৷

যে রাগিণী শুনি নিশিদিনমান

বিপুল হর্ষে দ্রব ভগবান

মলিনমর্ত-মাঝে বহমান

নিয়ত আত্মহারা ৷

যে রাগিণী সদা গগন ছাপিয়া

হোমশিখাসম উঠিছে কাঁপিয়া,

অনাদি অসীমে পড়িছে ঝাঁপিয়া

বিশ্বতন্ত্রী হতে ৷

যে রাগিণী চিরজন্ম ধরিয়া

চিত্তকুহরে উঠে কুহরিয়া—

অশ্রুহাসিতে জীবন ভরিয়া

ছুটে সহস্র স্রোতে ৷

কে আছে কোথায়, কে আসে কে যায়,

নিমেষে প্রকাশে, নিমেষে মিলায়—

বালুকার ’পরে কালের বেলায়

ছায়া-আলোকের খেলা ৷

জগতের যত রাজা মহারাজ

কাল ছিল যারা কোথা তারা আজ,

সকালে ফুটিছে সুখদুখলাজ—

টুটিছে সন্ধ্যাবেলা ৷

শুধু তার মাঝে ধ্বনিতেছে সুর

বিপুল বৃহৎ গভীর মধুর,

চিরদিন তাহে আছে ভরপুর

মগন গগনতল ৷

যে জন শুনেছে সে অনাদি ধ্বনি

ভাসায়ে দিয়েছে হৃদয়তরণী—

জানে না আপনা, জানে না ধরণী,

সংসারকোলাহল ৷

সে জন পাগল, পরান বিকল—

ভবকূল হতে ছিঁড়িয়া শিকল

কেমনে এসেছে ছাড়িয়া সকল,

ঠেকেছে চরণে তব ৷

তোমার অমলকমলগন্ধ

হৃদয়ে ঢালিছে মহা-আনন্দ—

অপূর্ব গীত, আলোক ছন্দ

শুনিছ নিত্য নব ৷

বাজুক সে বীণা, মজুক ধরণী—

বারেকের তরে ভুলাও, জননী,

কে বড়ো কে ছোটো, কে দীন কে ধনী,

কেবা আগে কেবা পিছে—

কার জয় হল কার পরাজয়,

কাহার বৃদ্ধি কার হল ক্ষয়,

কেবা ভালো আর কেবা ভালো নয়,

কে উপরে কেবা নীচে ৷

গাঁথা হয়ে যাক এক গীতরবে

ছোটো জগতের ছোটোবড়ো সবে,

সুখে প’ড়ে রবে পদপল্লবে

যেন মালা একখানি ৷

তুমি মানসের মাঝখানে আসি

দাঁড়াও মধুর মুরতি বিকাশি,

কুন্দবরন-সুন্দর-হাসি

বীণা হাতে বীণাপাণি ৷

ভাসিয়া চলিবে রবি শশী তারা

সারি সারি যত মানবের ধারা

অনাদিকালের পান্থ যাহারা

তব সংগীতস্রোতে ৷

দেখিতে পাইব ব্যোমে মহাকাল

ছন্দে ছন্দে বাজাইছে তাল,

দশ দিকবধূ খুলি কেশজাল

নাচে দশ দিক হতে ৷’

এতেক বলিয়া ক্ষণপরে কবি

করুণ কথায় প্রকাশিল ছবি

পুণ্যকাহিনী রঘুকুলরবি

রাঘবের ইতিহাস ৷

অসহ দুঃখ সহি নিরবধি

কেমনে জনম গিয়েছে দগধি,

জীবনের শেষ দিবস অবধি

অসীম নিরাশ্বাস ৷

কহিল, ‘বারেক ভাবি দেখো মনে

সেই একদিন কেটেছে কেমনে

যেদিন মলিন বাকলবসনে

চলিলা বনের পথে—

ভাই লক্ষ্মণ বয়স নবীন,

ম্লানছায়াসম বিষাদবিলীন

নববধূ সীতা আভরণহীন

উঠিলা বিদায়রথে ৷

রাজপুরী-মাঝে উঠে হাহাকার,

প্রজা কাঁদিতেছে পথে সারে-সার,

এমন বজ্র কখনো কি আর

পড়েছে এমন ঘরে!

অভিষেক হবে, উৎসবে তার

আনন্দময় ছিল চারি ধার—

মঙ্গলদীপ নিবিয়া আঁধার

শুধু নিমেষের ঝড়ে ৷

আর-একদিন, ভেবে দেখো মনে,

যেদিন শ্রীরাম লয়ে লক্ষ্মণে

ফিরিয়া নিভৃত কুটিরভবনে

দেখিলা জানকী নাহি—

‘জানকী’ ‘জানকী’ আর্ত রোদনে

ডাকিয়া ফিরিলা কাননে কাননে,

মহা-অরণ্য আঁধার-আননে

রহিল নীরবে চাহি ৷

তার পরে দেখো শেষ কোথা এর,

ভেবে দেখো কথা সেই দিবসের—

এত বিষাদের এত বিরহের

এত সাধনের ধন,

সেই সীতাদেবী রাজসভা-মাঝে

বিদায়বিনয়ে নমি রঘুরাজে

দ্বিধা ধরাতলে অভিমানে লাজে

হইলা অদর্শন ৷

সে-সকল দিন সেও চলে যায়,

সে অসহ শোক— চিহ্ন কোথায়—

যায় নি তো এঁকে ধরণীর গায়

অসীম দগ্ধরেখা ৷

দ্বিধা ধরাভূমি জুড়েছে আবার,

দণ্ডকবনে ফুটে ফুলভার,

সরযূর কূলে দুলে তৃণসার

প্রফুল্লশ্যামলেখা ৷

শুধু সে দিনের একখানি সুর

চিরদিন ধ’রে বহু বহু দূর

কাঁদিয়া হৃদয় করিছে বিধুর

মধুর করুণ তানে ৷

সে মহাপ্রাণের মাঝখানটিতে

যে মহারাগিণী আছিল ধ্বনিতে

আজিও সে গীত মহাসংগীতে

বাজে মানবের কানে ৷’

তার পরে কবি কহিল সে কথা,

কুরুপাণ্ডবসমরবারতা—

গৃহবিবাদের ঘোর মত্ততা

ব্যাপিল সর্ব দেশ;

দুইটি যমজ তরু পাশাপাশি,

ঘর্ষণে জ্বলে হুতাশনরাশি,

মহাদাবানল ফেলে শেষে গ্রাসি

অরণ্যপরিবেশ ৷

এক গিরি হতে দুই-স্রোত-পারা

দুইটি শীর্ণ বিদ্বেষধারা

সরীসৃপগতি মিলিল তাহারা

নিষ্ঠুর অভিমানে,

দেখিতে দেখিতে হল উপনীত

ভারতের যত ক্ষত্রশোণিত—

ত্রাসিত ধরণী করিল ধ্বনিত

প্রলয়বন্যাগানে ৷

দেখিতে দেখিতে ডুবে গেল কূল,

আত্ম ও পর হয়ে গেল ভুল,

গৃহবন্ধন করি নির্মূল

ছুটিল রক্তধারা—

ফেনায়ে উঠিল মরণাম্বুধি,

বিশ্ব রহিল নিশ্বাস রুধি

কাঁপিল গগন শত আঁখি মুদি

নিবায়ে সূর্যতারা ৷

সমরবন্যা যবে অবসান

সোনার ভারত বিপুল শ্মশান,

রাজগৃহ যত ভূতলশয়ান

পড়ে আছে ঠাঁই ঠাঁই ৷

ভীষণা শান্তি রক্তনয়নে

বসিয়া শোণিতপঙ্কশয়নে,

চাহি ধরা-পানে আনতবয়নে

মুখেতে বচন নাই ৷

বহু দিন পরে ঘুচিয়াছে খেদ,

মরণে মিটেছে সব বিচ্ছেদ,

সমাধা, যজ্ঞ মহা-নরমেধ

বিদ্বেষহুতাশনে ৷

সকল কামনা করিয়া পূর্ণ

সকল দম্ভ করিয়া চূর্ণ

পাঁচ ভাই গিয়া বসিলা শূন্য

স্বর্ণসিংহাসনে ৷

স্তব্ধ প্রাসাদ বিষাদ-আঁধার,

শ্মশান হইতে আসে হাহাকার

রাজপুরবধূ যত অনাথার

মর্মবিদার রব ৷

‘জয় জয় জয় পাণ্ডুতনয়’

সারি সারি দ্বারী দাঁড়াইয়া কয়—

পরিহাস ব’লে আজি মনে হয়,

মিছে মনে হয় সব ৷

কালি যে ভারত সারা দিন ধরি

অট্ট গরজে অম্বর ভরি

রাজার রক্তে খেলেছিল হোরি

ছাড়ি কুলভয়লাজে,

পরদিনে চিতাভস্ম মাখিয়া

সন্ন্যাসীবেশে অঙ্গ ঢাকিয়া

বসি একাকিনী শোকার্তহিয়া

শূন্যশ্মশানমাঝে ৷

কুরুপাণ্ডব মুছে গেছে সব,

সে রণরঙ্গ হয়েছে নীরব,

সে চিতাবহ্নি অতি ভৈরব

ভস্মও নাহি তার ৷

যে ভূমি লইয়া এত হানাহানি

সে আজি কাহার তাহাও না জানি,

কোথা ছিল রাজা কোথা রাজধানী

চিহ্ন নাহিকো আর ৷

তবু কোথা হতে আসিছে সে স্বর—

যেন সে অমর সমরসাগর

গ্রহণ করেছে নব কলেবর

একটি বিরাট গানে ৷

বিজয়ের শেষে সে মহাপ্রয়াণ,

সফল আশার বিষাদ মহান,

উদাস শান্তি করিতেছে দান

চিরমানবের প্রাণে ৷

হায়, এ ধরায় কত অনন্ত

বরষে বরষে শীত বসন্ত

সুখে দুখে ভরি দিক-দিগন্ত

হাসিয়া গিয়াছে ভাসি ৷

এমনি বরষা আজিকার মতো

কতদিন কত হয়ে গেছে গত,

নবমেঘভারে গগন আনত

ফেলেছে অশ্রুরাশি ৷

যুগে যুগে লোক গিয়েছে এসেছে,

দুখিরা কেঁদেছে, সুখীরা হেসেছে,

প্রেমিক যেজন ভালো সে বেসেছে

আজি আমাদেরই মতো;

তারা গেছে, শুধু তাহাদের গান

দু হাতে ছড়ায়ে করে গেছে দান—

দেশে দেশে তার নাহি পরিমাণ,

ভেসে ভেসে যায় কত ৷

শ্যামলা বিপুলা এ ধরার পানে

চেয়ে দেখি আমি মুগ্ধ নয়ানে,

সমস্ত প্রাণে কেন-যে কে জানে

ভরে আসে আঁখিজল—

বহু মানবের প্রেম দিয়ে ঢাকা,

বহু দিবসের সুখে দুখে আঁকা,

লক্ষ যুগের সংগীতে মাখা

সুন্দর ধরাতল!

এ ধরার মাঝে তুলিয়া নিনাদ

চাহি নে করিতে বাদ প্রতিবাদ,

যে ক’দিন আছি মানসের সাধ

মিটাব আপন-মনে—

যার যাহা আছে তার থাক তাই,

কারো অধিকারে যেতে নাহি চাই

শান্তিতে যদি থাকিবারে পাই

একটি নিভৃত কোণে ৷

শুধু বাঁশিখানি হাতে দাও তুলি,

বাজাই বসিয়া প্রাণমন খুলি,

পুষ্পের মতো সংগীতগুলি

ফুটাই আকাশভালে ৷

অন্তর হতে আহরি বচন

আনন্দলোক করি বিরচন,

গীতরসধারা করি সিঞ্চন

সংসারধূলিজালে ৷

অতিদুর্গম সৃষ্টিশিখরে

অসীম কালের মহাকন্দরে

সতত বিশ্বনির্ঝর ঝরে

ঝর্ঝরসংগীতে,

স্বরতরঙ্গ যত গ্রহতারা

ছুটিছে শূন্যে উদ্দেশহারা—

সেথা হতে টানি লব গীতধারা

ছোটো এই বাঁশরিতে ৷

ধরণীর শ্যাম করপুটখানি

ভরি দিব আমি সেই গীত আনি,

বাতাসে মিশায়ে দিব এক বাণী

মধুর-অর্থ-ভরা ৷

নবীন আষাঢ়ে রচি নব মায়া

এঁকে দিয়ে যাব ঘনতর ছায়া,

করে দিয়ে যাব বসন্তকায়া

বাসন্তীবাস-পরা ৷

ধরণীর তলে গগনের গায়

সাগরের জলে অরণ্যছায়

আরেকটুখানি নবীন আভায়

রঙিন করিয়া দিব ৷

সংসার-মাঝে কয়েকটি সুর

রেখে দিয়ে যাব করিয়া মধুর,

দু-একটি কাঁটা করি দিব দূর—

তার পরে ছুটি নিব ৷

সুখহাসি আরো হবে উজ্জ্বল,

সুন্দর হবে নয়নের জল,

স্নেহসুধামাখা বাসগৃহতল

আরো আপনার হবে ৷

প্রেয়সী নারীর নয়নে অধরে

আরেকটু মধু দিয়ে যাব ভরে,

আরেকটু স্নেহ শিশুমুখ-’পরে

শিশিরের মতো রবে ৷

না পারে বুঝাতে, আপনি না বুঝে

মানুষ ফিরিছে কথা খুঁজে খুঁজে—

কোকিল যেমন পঞ্চমে কূজে

মাগিছে তেমনি সুর ৷

কিছু ঘুচাইব সেই ব্যাকুলতা,

কিছু মিটাইব প্রকাশের ব্যথা,

বিদায়ের আগে দু-চারিটা কথা

রেখে যাব সুমধুর ৷

থাকো হৃদাসনে জননী ভারতী—

তোমারি চরণে প্রাণের আরতি,

চাহি না চাহিতে আর কারো প্রতি,

রাখি না কাহারো আশা ৷

কত সুখ ছিল হয়ে গেছে দুখ,

কত বান্ধব হয়েছে বিমুখ,

ম্লান হয়ে গেছে কত উৎসুক

উন্মুখ ভালোবাসা ৷

শুধু ও চরণ হৃদয়ে বিরাজে,

শুধু ওই বীণা চিরদিন বাজে,

স্নেহসুরে ডাকে অন্তর-মাঝে—

আয় রে বৎস, আয়,

ফেলে রেখে আয় হাসি ক্রন্দন,

ছিঁড়ে আয় যত মিছে বন্ধন,

হেথা ছায়া আছে চিরনন্দন

চিরবসন্ত-বায় ৷

সেই ভালো মা গো, যাক যাহা যায়,

জন্মের মতো বরিনু তোমায়—

কমলগন্ধ কোমল দু পায়

বার বার নমোনম ৷’

এত বলি কবি থামাইল গান,

বসিয়া রহিল মুগ্ধনয়ান,

বাজিতে লাগিল হৃদয় পরান

বীণাঝংকার-সম ৷

পুলকিত রাজা, আঁখি ছলছল,

আসন ছাড়িয়া নামিলা ভূতল—

দু বাহু বাড়ায়ে, পরান উতল,

কবিরে লইলা বুকে ৷

কহিলা ‘ধন্য, কবি গো, ধন্য,

আনন্দে মন সমাচ্ছন্ন,

তোমারে কী আমি কহিব অন্য—

চিরদিন থাকো সুখে ৷

ভাবিয়া না পাই কী দিব তোমারে,

করি পরিতোষ কোন উপহারে,

যাহা-কিছু আছে রাজভাণ্ডারে

সব দিতে পারি আনি ৷’

প্রেমোচ্ছ্বসিত আনন্দজলে

ভরি দু নয়ন কবি তাঁরে বলে,

‘কণ্ঠ হইতে দেহো মোর গলে

ওই ফুলমালাখানি ৷’

মালা বাঁধি কেশে কবি যায় পথে,

কেহ শিবিকায় কেহ ধায় রথে,

নানা দিকে লোক যায় নানামতে

কাজের অন্বেষণে ৷

কবি নিজমনে ফিরিছে লুব্ধ,

যেন সে তাহার নয়ন মুগ্ধ

কল্পধেনুর অমৃতদুগ্ধ

দোহন করিছে মনে ৷

কবির রমণী বাঁধি কেশপাশ

সন্ধ্যার মতো পরি রাঙা বাস

বসি একাকিনী বাতায়ন-পাশ—

সুখহাস মুখে ফুটে ৷

কপোতের দল চারি দিকে ঘিরে

নাচিয়া ডাকিয়া বেড়াইছে ফিরে—

যবের কণিকা তুলিয়া সে ধীরে

দিতেছে চঞ্চুপুটে ৷

অঙ্গুলি তার চলিছে যেমন

কত কী-যে কথা ভাবিতেছে মন,

হেনকালে পথে ফেলিয়া নয়ন

সহসা কবিরে হেরি

বাহুখানি নাড়ি মৃদু ঝিনিঝিনি

বাজাইয়া দিল করকিঙ্কিণী,

হাসিজালখানি অতুলহাসিনী

ফেলিলা কবিরে ঘেরি ৷

কবির চিত্ত উঠে উল্লাসি;

অতি সত্বর সম্মুখে আসি

কহে কৌতুকে মৃদু মৃদু হাসি,

‘দেখো কী এনেছি বালা!

নানা লোকে নানা পেয়েছে রতন,

আমি আনিয়াছি করিয়া যতন

তোমার কণ্ঠে দেবার মতন

রাজকণ্ঠের মালা ৷’

এত বলি মালা শির হতে খুলি

প্রিয়ার গলায় দিতে গেল তুলি,

কবিনারী রোষে কর দিল ঠেলি

ফিরায়ে রহিল মুখ ৷

মিছে ছল করি মুখে করে রাগ,

মনে মনে তার জাগিছে সোহাগ,

গরবে ভরিয়া উঠে অনুরাগ,

হৃদয়ে উথলে সুখ ৷

কবি ভাবে বিধি অপ্রসন্ন,

বিপদ আজিকে হেরি আসন্ন

বসি থাকি মুখ করি বিষণ্ণ

শূন্যে নয়ন মেলি ৷

কবির ললনা আধখানি বেঁকে

চোরা কটাক্ষে চাহে থেকে থেকে,

পতির মুখের ভাবখানা দেখে

মুখের বসন ফেলি

উচ্চকণ্ঠে উঠিল হাসিয়া,

তুচ্ছ ছলনা গেল সে ভাসিয়া,

চকিতে সরিয়া নিকটে আসিয়া

পড়িল তাহার বুকে ৷

সেথায় লুকায়ে হাসিয়া কাঁদিয়া

কবির কণ্ঠ বাহুতে বাঁধিয়া

শতবার করি আপনি সাধিয়া

চুম্বিল তার মুখে ৷

বিস্মিত কবি বিহবলপ্রায়

আনন্দে কথা খুঁজিয়া না পায়,

মালাখানি লয়ে আপন গলায়

আদরে পরিলা সতী ৷

ভক্তি-আবেগে কবি ভাবে মনে

চেয়ে সেই প্রেমপূর্ণ বদনে—

বাঁধা প’ল এক মাল্যবাঁধনে

লক্ষ্মীসরস্বতী ৷ ৷

শাহাজাদপুর

১৩ শ্রাবণ, ১৩০০

সকল অধ্যায়
১.
মরণ
২.
প্রশ্ন
৩.
সন্ধ্যাসংগীত
৪.
দৃষ্টি
৫.
প্রভাতসংগীত
৬.
সৃষ্টি স্থিতি প্রলয়
৭.
নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ
৮.
প্রভাত-উৎসব
৯.
ছবি ও গান
১০.
রাহুর প্রেম
১১.
কড়ি ও কোমল
১২.
প্রাণ
১৩.
পুরাতন
১৪.
নূতন
১৫.
বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
১৬.
গীতোচ্ছ্বাস
১৭.
চুম্বন
১৮.
বাহু
১৯.
চরণ
২০.
হৃদয়-আকাশ
২১.
স্মৃতি
২২.
হৃদয়-আসন
২৩.
বন্দী
২৪.
কেন
২৫.
মোহ
২৬.
মরীচিকা
২৭.
মানসী
২৮.
ভুলে
২৯.
ভুল-ভাঙা
৩০.
বিরহানন্দ
৩১.
সিন্ধুতরঙ্গ
৩২.
নিষ্ফল কামনা
৩৩.
নারীর উক্তি
৩৪.
পুরুষের উক্তি
৩৫.
বধূ
৩৬.
ব্যক্ত প্রেম
৩৭.
গুপ্ত প্রেম
৩৮.
অপেক্ষা
৩৯.
সুরদাসের প্রার্থনা
৪০.
ভৈরবী গান
৪১.
বর্ষার দিনে
৪২.
অনন্ত প্রেম
৪৩.
ক্ষণিক মিলন
৪৪.
ভালো করে বলে যাও
৪৫.
মেঘদূত
৪৬.
অহল্যার প্রতি
৪৭.
আমার সুখ
৪৮.
সোনার তরী
৪৯.
সোনার তরী
৫০.
নিদ্রিতা
৫১.
সুপ্তোত্থিতা
৫২.
হিং টিং ছট
৫৩.
পরশপাথর
৫৪.
দুই পাখি
৫৫.
গানভঙ্গ
৫৬.
যেতে নাহি দিব
৫৭.
মানসসুন্দরী
৫৮.
দুর্বোধ
৫৯.
ঝুলন
৬০.
সমুদ্রের প্রতি
৬১.
হৃদয়যমুনা
৬২.
ব্যর্থ যৌবন
৬৩.
প্রত্যাখ্যান
৬৪.
লজ্জা
৬৫.
পুরস্কার
৬৬.
বসুন্ধরা
৬৭.
নিরুদ্দেশ যাত্রা
৬৮.
বিদায় অভিশাপ
৬৯.
বিদায়-অভিশাপ
৭০.
চিত্রা
৭১.
সুখ
৭২.
প্রেমের অভিষেক
৭৩.
এবার ফিরাও মোরে
৭৪.
মৃত্যুর পরে
৭৫.
সাধনা
৭৬.
ব্রাহ্মণ
৭৭.
পুরাতন ভৃত্য
৭৮.
দুই বিঘা জমি
৭৯.
নগরসংগীত
৮০.
চিত্রা
৮১.
আবেদন
৮২.
উর্বশী
৮৩.
স্বর্গ হইতে বিদায়
৮৪.
দিনশেষে
৮৫.
সান্ত্বনা
৮৬.
বিজয়িনী
৮৭.
জীবনদেবতা
৮৮.
রাত্রে ও প্রভাতে
৮৯.
১৪০০ সাল
৯০.
সিন্ধুপারে
৯১.
চৈতালি
৯২.
উৎসর্গ
৯৩.
বৈরাগ্য
৯৪.
মধ্যাহ্ন
৯৫.
দুর্লভ জন্ম
৯৬.
খেয়া
৯৭.
ঋতুসংহার
৯৮.
মেঘদূত
৯৯.
দিদি
১০০.
পরিচয়
১০১.
ক্ষণমিলন
১০২.
সঙ্গী
১০৩.
করুণা
১০৪.
স্নেহগ্রাস
১০৫.
বঙ্গমাতা
১০৬.
মানসী
১০৭.
মৌন
১০৮.
অসময়
১০৯.
কুমারসম্ভবগান
১১০.
মানসলোক
১১১.
কাব্য
১১২.
কণিকা
১১৩.
হাতে-কলমে
১১৪.
গৃহভেদ
১১৫.
গরজের আত্মীয়তা
১১৬.
কুটুম্বিতা
১১৭.
উদারচরিতানাম
১১৮.
অসম্ভব ভালো
১১৯.
প্রত্যক্ষ প্রমাণ
১২০.
ভক্তিভাজন
১২১.
উপকারদম্ভ
১২২.
সন্দেহের কারণ
১২৩.
অকৃতজ্ঞ
১২৪.
নিজের ও সাধারণের
১২৫.
মাঝারির সতর্কতা
১২৬.
নতিস্বীকার
১২৭.
কর্তব্যগ্রহণ
১২৮.
ধ্রুবাণি তস্য নশ্যন্তি
১২৯.
মোহ
১৩০.
ফুল ও ফল
১৩১.
প্রশ্নের অতীত
১৩২.
মোহের আশঙ্কা
১৩৩.
চালক
১৩৪.
এক পরিণাম
১৩৫.
কল্পনা
১৩৬.
দুঃসময়
১৩৭.
বর্ষামঙ্গল
১৩৮.
ভ্রষ্ট লগ্ন
১৩৯.
মার্জনা
১৪০.
স্বপ্ন
১৪১.
মদনভস্মের পূর্বে
১৪২.
মদনভস্মের পর
১৪৩.
প্রণয়প্রশ্ন
১৪৪.
জুতা-আবিষ্কার
১৪৫.
হতভাগ্যের গান
১৪৬.
বিদায়
১৪৭.
বর্ষশেষ
১৪৮.
অশেষ
১৪৯.
ঝড়ের দিনে
১৫০.
বসন্ত
১৫১.
ভগ্ন মন্দির
১৫২.
বৈশাখ
১৫৩.
কথা
১৫৪.
দেবতার গ্রাস
১৫৫.
পূজারিনি
১৫৬.
অভিসার
১৫৭.
পরিশোধ
১৫৮.
বিসর্জন
১৫৯.
বন্দী বীর
১৬০.
হোরিখেলা
১৬১.
পণরক্ষা
১৬২.
কাহিনী
১৬৩.
নরকবাস
১৬৪.
গান্ধারীর আবেদন
১৬৫.
কর্ণকুন্তীসংবাদ
১৬৬.
ক্ষণিকা
১৬৭.
উদবোধন
১৬৮.
যথাস্থান
১৬৯.
কবির বয়স
১৭০.
সেকাল
১৭১.
জন্মান্তর
১৭২.
বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মীঃ
১৭৩.
সোজাসুজি
১৭৪.
যাত্রী
১৭৫.
এক গাঁয়ে
১৭৬.
উদাসীন
১৭৭.
আষাঢ়
১৭৮.
নববর্ষা
১৭৯.
অকালে
১৮০.
বিলম্বিত
১৮১.
মেঘমুক্ত
১৮২.
চিরায়মানা
১৮৩.
কল্যাণী
১৮৪.
অবিনয়
১৮৫.
কৃষ্ণকলি
১৮৬.
আবির্ভাব
১৮৭.
নৈবেদ্য
১৮৮.
জনারণ্য
১৮৯.
স্তব্ধতা
১৯০.
সফলতা
১৯১.
প্রাণ
১৯২.
দেহলীলা
১৯৩.
মুক্তি
১৯৪.
অজ্ঞাতে
১৯৫.
অপরাহ্নে
১৯৬.
প্রতীক্ষা
১৯৭.
অপ্রমত্ত
১৯৮.
দীক্ষা
১৯৯.
ত্রাণ
২০০.
ন্যায়দণ্ড
২০১.
প্রার্থনা
২০২.
নীড় ও আকাশ
২০৩.
জন্ম
২০৪.
মৃত্যু
২০৫.
নিবেদন
২০৬.
স্মরণ
২০৭.
অতিথি
২০৮.
প্রতিনিধি
২০৯.
উদবোধন
২১০.
একাকী
২১১.
রমণী
২১২.
শিশু
২১৩.
খেলা
২১৪.
কেন মধুর
২১৫.
লুকোচুরি
২১৬.
বীরপুরুষ
২১৭.
জন্মকথা
২১৮.
বিদায়
২১৯.
পরিচয়
২২০.
উপহার
২২১.
উৎসর্গ
২২২.
প্রচ্ছন্ন
২২৩.
ছল
২২৪.
চেনা
২২৫.
মরীচিকা
২২৬.
আমি চঞ্চল হে
২২৭.
প্রসাদ
২২৮.
প্রবাসী
২২৯.
আবর্তন
২৩০.
অতীত
২৩১.
নব বেশ
২৩২.
মরণমিলন
২৩৩.
জন্ম ও মরণ
২৩৪.
সাময়িক পত্র
২৩৫.
শিবাজি-উৎসব
২৩৬.
সুপ্রভাত
২৩৭.
নমস্কার
২৩৮.
খেয়া
২৩৯.
শুভক্ষণ
২৪০.
বালিকা বধূ
২৪১.
অনাবশ্যক
২৪২.
আগমন
২৪৩.
দান
২৪৪.
কৃপণ
২৪৫.
কুয়ার ধারে
২৪৬.
দিনশেষ
২৪৭.
প্রতীক্ষা
২৪৮.
দিঘি
২৪৯.
প্রচ্ছন্ন
২৫০.
গীতাঞ্জলি
২৫১.
আত্মত্রাণ
২৫২.
আষাঢ়সন্ধ্যা
২৫৩.
বেলাশেষে
২৫৪.
অরূপরতন
২৫৫.
স্বপ্নে
২৫৬.
সহযাত্রী
২৫৭.
বর্ষার রূপ
২৫৮.
প্রতিসৃষ্টি
২৫৯.
ভারততীর্থ
২৬০.
দীনের সঙ্গী
২৬১.
অপমানিত
২৬২.
ধুলামন্দির
২৬৩.
সীমায় প্রকাশ
২৬৪.
যাবার দিন
২৬৫.
অসমাপ্ত
২৬৬.
শেষ নমস্কার
২৬৭.
গীতিমাল্য
২৬৮.
পথ-চাওয়া
২৬৯.
ভাসান
২৭০.
খড়গ
২৭১.
চরম মূল্য
২৭২.
সুর
২৭৩.
দিনান্ত
২৭৪.
ব্যর্থ
২৭৫.
সার্থক বেদনা
২৭৬.
উপহার
২৭৭.
গানের পারে
২৭৮.
নিঃসংশয়
২৭৯.
সুরের আগুন
২৮০.
গানের টান
২৮১.
অতিথি
২৮২.
দেহ
২৮৩.
নিবেদন
২৮৪.
সুন্দর
২৮৫.
আলোকধেনু
২৮৬.
গীতালি
২৮৭.
পরশমণি
২৮৮.
শরণ্ময়ী
২৮৯.
মোহন মৃত্যু
২৯০.
শারদা
২৯১.
জয়
২৯২.
ক্লান্তি
২৯৩.
পথিক
২৯৪.
পুনরাবর্তন
২৯৫.
সুপ্রভাত
২৯৬.
পথের গান
২৯৭.
সাথি
২৯৮.
জ্যোতি
২৯৯.
কলিকা
৩০০.
অঞ্জলি
৩০১.
বলাকা
৩০২.
সবুজের অভিযান
৩০৩.
শঙ্খ
৩০৪.
ছবি
৩০৫.
শা-জাহান
৩০৬.
চঞ্চলা
৩০৭.
দান
৩০৮.
বলাকা
৩০৯.
পলাতকা
৩১০.
মুক্তি
৩১১.
ফাঁকি
৩১২.
নিষ্কৃতি
৩১৩.
হারিয়ে যাওয়া
৩১৪.
ঠাকুরদাদার ছুটি
৩১৫.
শিশু ভোলানাথ
৩১৬.
মনে-পড়া
৩১৭.
খেলাভোলা
৩১৮.
ইচ্ছামতী
৩১৯.
তালগাছ
৩২০.
অন্য মা
৩২১.
পূরবী
৩২২.
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
৩২৩.
তপোভঙ্গ
৩২৪.
লীলাসঙ্গিনী
৩২৫.
সাবিত্রী
৩২৬.
আহবান
৩২৭.
ক্ষণিকা
৩২৮.
খেলা
৩২৯.
কৃতজ্ঞ
৩৩০.
দান
৩৩১.
অতিথি
৩৩২.
শেষ বসন্ত
৩৩৩.
বনবাণী
৩৩৪.
বসন্ত
৩৩৫.
বৃক্ষবন্দনা
৩৩৬.
কুটিরবাসী
৩৩৭.
নীলমণিলতা
৩৩৮.
উদবোধন
৩৩৯.
মহুয়া
৩৪০.
শেষ মধু
৩৪১.
সাগরিকা
৩৪২.
বোধন
৩৪৩.
পথের বাঁধন
৩৪৪.
অসমাপ্ত
৩৪৫.
নির্ভয়
৩৪৬.
পরিচয়
৩৪৭.
দায়মোচন
৩৪৮.
সবলা
৩৪৯.
নববধূ
৩৫০.
মিলন
৩৫১.
প্রত্যাগত
৩৫২.
বিচিত্রিতা
৩৫৩.
ছায়াসঙ্গিনী
৩৫৪.
পসারিনি
৩৫৫.
পুষ্প
৩৫৬.
যাত্রা
৩৫৭.
দ্বিধা
৩৫৮.
পরিশেষ
৩৫৯.
প্রণাম
৩৬০.
প্রশ্ন
৩৬১.
পত্রলেখা
৩৬২.
মৃত্যুঞ্জয়
৩৬৩.
বাঁশি
৩৬৪.
জলপাত্র
৩৬৫.
পুনশ্চ
৩৬৬.
পুকুর-ধারে
৩৬৭.
ক্যামেলিয়া
৩৬৮.
ছেলেটা
৩৬৯.
সাধারণ মেয়ে
৩৭০.
খোয়াই
৩৭১.
শেষ চিঠি
৩৭২.
ছুটির আয়োজন
৩৭৩.
বীথিকা
৩৭৪.
পাঠিকা
৩৭৫.
ভুল
৩৭৬.
উদাসীন
৩৭৭.
নিমন্ত্রণ
৩৭৮.
শেষ সপ্তক
৩৭৯.
আমার ফুলবাগানের ফুলগুলিকে
৩৮০.
তুমি প্রভাতের শুকতারা
৩৮১.
পিলসুজের উপর পিতলের প্রদীপ
৩৮২.
পঁচিশে বৈশাখ
৩৮৩.
পত্রপুট
৩৮৪.
পৃথিবী
৩৮৫.
উদাসীন
৩৮৬.
তোমার অন্যযুগের সখা
৩৮৭.
শ্যামলী
৩৮৮.
আমি
৩৮৯.
বাঁশিওয়ালা
৩৯০.
হঠাৎ-দেখা
৩৯১.
সাময়িক পত্র
৩৯২.
আফ্রিকা
৩৯৩.
সংযোজন ১
৩৯৪.
গীতবিতান
৩৯৫.
ভারতবিধাতা
৩৯৬.
চির-আমি
৩৯৭.
ছিল যে পরানের অন্ধকারে
৩৯৮.
যে কাঁদনে হিয়া কাঁদিছে
৩৯৯.
সে যে বাহির হল আমি জানি
৪০০.
তোমায় কিছু দেব ব’লে
৪০১.
আমি তারেই খুঁজে বেড়াই
৪০২.
আমি কান পেতে রই
৪০৩.
ওই মরণের সাগর-পারে
৪০৪.
দিন যদি হল অবসান
৪০৫.
আমার একটি কথা বাঁশি জানে
৪০৬.
সে কোন বনের হরিণ
৪০৭.
কান্নাহাসির-দোল-দোলানো
৪০৮.
মধুর, তোমার শেষ যে না পাই
৪০৯.
চাহিয়া দেখো রসের স্রোতে স্রোতে
৪১০.
আমার না-বলা বাণীর ঘন যামিনীর মাঝে
৪১১.
বেদনা কী ভাষায় রে
৪১২.
বেদনায় ভরে গিয়েছে পেয়ালা
৪১৩.
তার বিদায়বেলার মালাখানি
৪১৪.
‘ভালোবাসি ভালোবাসি’
৪১৫.
যখন এসেছিলে অন্ধকারে
৪১৬.
কার চোখের চাওয়ার হাওয়ায়
৪১৭.
সকরুণ বেণু বাজায়ে কে যায়
৪১৮.
স্বপনে দোঁহে ছিনু কী মোহে
৪১৯.
সুনীল সাগরের শ্যামল কিনারে
৪২০.
চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙেছে
৪২১.
আমারে ডাক দিল কে
৪২২.
শিউলি ফোটা ফুরোলো যেই
৪২৩.
যেদিন সকল মুকুল গেল ঝরে
৪২৪.
ওহে সুন্দর, মরি মরি
৪২৫.
কার যেন এই মনের বেদন
৪২৬.
পূর্ণচাঁদের মায়ায় আজি
৪২৭.
দে পড়ে দে আমায় তোরা
৪২৮.
কেন রে এতই যাবার ত্বরা
৪২৯.
চরণরেখা তব
৪৩০.
দারুণ অগ্নিবাণে
৪৩১.
আমার দিন ফুরালো
৪৩২.
ওগো আমার শ্রাবণ-মেঘের
৪৩৩.
ধরণী, দূরে চেয়ে
৪৩৪.
জানি, হল যাবার আয়োজন
৪৩৫.
নীল অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায়
৪৩৬.
পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে
৪৩৭.
লেখন
৪৩৮.
স্বপ্ন আমার জোনাকি
৪৩৯.
ঘুমের আঁধার কোটরের তলে
৪৪০.
আঁধার সে যেন বিরহিণী বধূ
৪৪১.
আকাশের নীল
৪৪২.
দিনের রৌদ্রে আবৃত বেদনা
৪৪৩.
নিভৃত প্রাণের নিবিড় ছায়ায়
৪৪৪.
অতল আঁধার নিশাপারাবার
৪৪৫.
দুই তীরে তার বিরহ ঘটায়ে
৪৪৬.
স্ফুলিঙ্গ তার পাখায় পেল
৪৪৭.
সুন্দরী ছায়ার পানে
৪৪৮.
আমার প্রেম রবি-কিরণ-হেন
৪৪৯.
মাটির সুপ্তিবন্ধন হতে
৪৫০.
আলো যবে ভালোবেসে
৪৫১.
দিন হয়ে গেল গত
৪৫২.
চাহিয়া প্রভাতরবির নয়নে
৪৫৩.
আকাশে তো আমি
৪৫৪.
লাজুক ছায়া বনের তলে
৪৫৫.
পর্বতমালা আকাশের পানে
৪৫৬.
ভিক্ষুবেশে দ্বারে তার
৪৫৭.
অসীম আকাশ শূন্য প্রসারি রাখে
৪৫৮.
ফুলগুলি যেন কথা
৪৫৯.
পথের প্রান্তে আমার তীর্থ নয়
৪৬০.
ফুরাইলে দিবসের পালা
৪৬১.
সূর্যাস্তের রঙে রাঙা
৪৬২.
দিন দেয় তার সোনার বীণা
৪৬৩.
সূর্য-পানে চেয়ে ভাবে
৪৬৪.
চেয়ে দেখি হোথা তব জানালায়
৪৬৫.
উতল সাগরের অধীর ক্রন্দন
৪৬৬.
সমস্ত-আকাশ-ভরা
৪৬৭.
স্ফুলিঙ্গ
৪৬৮.
কল্লোলমুখর দিন
৪৬৯.
মুক্ত যে ভাবনা মোর
৪৭০.
প্রভাতরবির ছবি আঁকে ধরা
৪৭১.
যত বড়ো হোক ইন্দ্রধনু সে
৪৭২.
বহু দিন ধ’রে বহু ক্রোশ দূরে
৪৭৩.
কোন খসে-পড়া তারা
৪৭৪.
বসন্ত পাঠায় দূত
৪৭৫.
প্রেমের আনন্দ থাকে
৪৭৬.
চিত্রবিচিত্র
৪৭৭.
নতুন দেশ
৪৭৮.
চলন্ত কলিকাতা
৪৭৯.
চিত্রকূট
৪৮০.
প্রহাসিনী
৪৮১.
রঙ্গ
৪৮২.
খাপছাড়া
৪৮৩.
দামোদর শেঠ
৪৮৪.
গোরা বোষ্টম বাবা
৪৮৫.
বর এসেছে বীরের ছাঁদে
৪৮৬.
রাজব্যবস্থা
৪৮৭.
ছড়ার ছবি
৪৮৮.
যোগিনদা
৪৮৯.
বাসাবাড়ি
৪৯০.
ঘরের খেয়া
৪৯১.
আকাশপ্রদীপ
৪৯২.
প্রান্তিক
৪৯৩.
যাবার সময় হল বিহঙ্গের
৪৯৪.
অবরুদ্ধ ছিল বায়ু
৪৯৫.
পশ্চাতের নিত্যসহচর
৪৯৬.
অবসন্ন চেতনার গোধূলিবেলায়
৪৯৭.
কলরবমুখরিত খ্যাতির প্রাঙ্গণে
৪৯৮.
পরমমূল্য
৪৯৯.
সেঁজুতি
৫০০.
ঘরছাড়া
৫০১.
পরিচয়
৫০২.
স্মরণ
৫০৩.
জন্মদিন
৫০৪.
আকাশপ্রদীপ
৫০৫.
বধূ
৫০৬.
শ্যামা
৫০৭.
ঢাকিরা ঢাক বাজায় খালে বিলে
৫০৮.
নবজাতক
৫০৯.
ইসটেশন
৫১০.
প্রজাপতি
৫১১.
রাতের গাড়ি
৫১২.
ছড়া
৫১৩.
শ্রাদ্ধ
৫১৪.
মামলা
৫১৫.
সানাই
৫১৬.
যক্ষ
৫১৭.
উদবৃত্ত
৫১৮.
সানাই
৫১৯.
রূপকথায়
৫২০.
অসম্ভব
৫২১.
জন্মদিনে
৫২২.
বরণ
৫২৩.
পথের শেষে
৫২৪.
ঐকতান
৫২৫.
রোগশয্যায়
৫২৬.
জপের মালা
৫২৭.
আমার দিনের শেষ ছায়াটুকু
৫২৮.
খুলে দাও দ্বার
৫২৯.
ধূসর গোধূলিলগ্নে
৫৩০.
আরোগ্য
৫৩১.
মুক্তবাতায়নপ্রান্তে
৫৩২.
ঘণ্টা বাজে দূরে
৫৩৩.
সংসারের প্রান্ত-জানালায়
৫৩৪.
ওরা কাজ করে
৫৩৫.
মধুময় পৃথিবীর ধূলি
৫৩৬.
গল্পসল্প
৫৩৭.
খোকার খেলনা
৫৩৮.
নাগ-কুমারী
৫৩৯.
পিয়ারি
৫৪০.
শেষ লেখা
৫৪১.
রূপ-নারানের কূলে
৫৪২.
প্রথম দিনের সূর্য
৫৪৩.
দুঃখের আঁধার রাত্রি
৫৪৪.
তোমার সৃষ্টির পথ
৫৪৫.
সংযোজন ২
৫৪৬.
তারকার আত্মহত্যা
৫৪৭.
ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
৫৪৮.
অভিসার
৫৪৯.
কড়ি ও কোমল
৫৫০.
কাঙালিনী
৫৫১.
বঙ্গবাসীর প্রতি
৫৫২.
মানসী
৫৫৩.
নিষ্ঠুর সৃষ্টি
৫৫৪.
নিষ্ফল উপহার
৫৫৫.
ধ্যান
৫৫৬.
সোনার তরী
৫৫৭.
বিম্ববতী
৫৫৮.
বৈষ্ণবকবিতা
৫৫৯.
চিত্রা
৫৬০.
দুঃসময়
৫৬১.
অন্তর্যামী
৫৬২.
চৈতালি
৫৬৩.
সভ্যতার প্রতি
৫৬৪.
লিপিকা
৫৬৫.
সন্ধ্যা ও প্রভাত
৫৬৬.
সতেরো বছর
৫৬৭.
একটি দিন
৫৬৮.
পুনশ্চ
৫৬৯.
শিশুতীর্থ
৫৭০.
প্রান্তিক
৫৭১.
যেদিন চৈতন্য মোর
৫৭২.
নাগিনীরা চারি দিকে

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%